গ্রানাইট ও মার্বেলের ব্যবহার বিষয়ক বিশদ আলোচনা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

গ্রানাইট ও মার্বেল পাথর আমরা সবাই চিনি। বেশিরভাগ বাসায় এখন এই সব দামী ম্যাটেরিয়েল ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে আমাদের দেশে মার্বেল ও গ্রানাইটের আমদানি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে এ সংক্রান্ত কাজের লোকেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও।

আসুন জেনে নিই গ্রানাইট ও মার্বেল সম্পর্কেঃ

গ্রানাইট হল এক প্রকারের আগ্নেয়শিলা। এটি বিভিন্ন রঙ এর, বিশেষ করে গোলাপি, সাদা, ধূসর এবং কালো রঙ এর হয়। তবে সব কালো পাথরই গ্রানাইট নয়। গ্রানাইটের মাঝে অবশ্যই কিছু টেক্সচার থাকবে। প্রকৃতিগতভাবে পাওয়া এইসব পাথর কাটার পর মেশিন দিয়ে পালিশ করলে চকচক করবে। চকচকে এই পাথরের ভেতর বিভিন্ন রকমের টেক্সচার থাকবে যা এটিকে গ্রানাইট হিসেবে প্রমাণ করে। গ্রানাইটের মধ্যে অবশ্যই ২০% কোয়ার্টজ থাকবে।

এটিতে যে খনিজ বেশি থাকবে, সেটির রঙ ও টেক্সচার ধারণ করবে। কোন গ্রানাইট কেমন হবে সেটির একটি ধারণা দেয়া হলঃ

*কোয়ার্টজ বেশি থাকলে গ্রানাইট দুধ সাদা রঙের হবে।

* ফ্লেডস্পার থাকলে ধূসর সাদাটে গ্রানাইট হবে।

* পটাসিয়াম ফিল্ডস্পার থাকলে গোলাপি রঙের গ্রানাইট হবে।

* কালো বা গাঢ় বাদামী গ্রানাইট মানেই জৈবাইট মেশানো গ্রানাইট।

* মাসকোটিভ মেশানো গ্রানাইট হবে সোনালি বা হলুদাভ।

* এমফিবোল মেশানো গ্রানাইট হবে কালো বা গাঢ় সবুজ।

ভাল গ্রানাইট দেখতে কেমন?

ভাল গ্রানাইট অবশ্যই খানিকটা হলেও টেক্সচারাইজড থাকবে। এটি যেহেতু গলিত শিলার ঠান্ডা রুপ, তাই এর ভেতর বিভিন্ন টেক্সচার তৈরি হবে। এবং এটির রঙ পরিবর্তন হবে। কখনোই এটি এক রঙের হবে না। এর মধ্যের টেক্সচার এর দূরত্ব বা ঘনত্বও এক হবে না। কারণ, এটি প্রকৃতির নিয়মে নিজে থেকেই এমন আকার ধারণ করেছে। এটি কোন দেয়ালে লাগালে কখনোই এর টেক্সচার পরিবর্তন হবে না। বহুল ব্যবহারেও এর রঙ চটে যাবে না। ঘোলা হয়ে গেলে এটি পলিশ করার মাধ্যমে আবারও আগের রুপে ফিরিয়ে আনা যাবে। এটি খুবই ভঙ্গুর ও ভারী। এটি কাটিং মেশিন দিয়ে কাটার সময় একটু এদিক সেদিক হলেই ভেঙে যাবে! এবং এই ভাঙ্গা কখনোই সমান হবে না। অসমান ভাঙ্গা অংশে ভেতরের টেক্সচার দেখা যাবে। আপনি হয়তো নীল রঙের গ্রানাইটের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখতে পারেন, তবে এটি গ্রানাইট নয়। কারণ, গ্রানাইট নীল রঙের হতে পারে না। নীল রঙের যে পাথর আপনি দেখতে পান, সেটি হল লার্ভিয়েট ও মেনজয়েট এর সমন্বয় বা একক গঠনে তৈরি শিলা। মাঝে মাঝে এনোরথোসাইট নামের পাথরও নীল গ্রানাইট নামে বিক্রি হয় বাজারে। তবে সেটি কিনলে ঠকবেন নিশ্চিত! তবে গোলাপি, হলুদ, লাল বা কালো বিভিন্ন রকমের হতে পারে। মনে রাখা উচিৎ- গ্রানাইট কখনোই মানুষ তৈরি করতে পারে না। এটি প্রকৃতিগত তাই এর টেক্সচার কখনোই একটার সাথে আরেকটা মিলবে না। একই পাথর চাঁই থেকে কেটে নেয়া হলে কিছুটা মিল থাকতে পারে। যেটি হুবহু আরেকটির মত দেখতে হবে (একেবারে হুবহু কার্বন কপি), সেটি কখনোই গ্রানাইট হতে পারে না। কারণ, গ্রানাইট কোন মেশিন-মেইড প্রোডাক্ট নয়।

swimming pool with granite

চিত্র:  গ্রানাইটের মিশ্রনে তৈরি পুলসাইড ওয়াকওয়ে।

মার্বেল:

মার্বেল পাথর হল রুপান্তরিত শিলা। আগ্নেয় পাললিক শিলা অনেক তাপ ও চাপে নতুন যে শিলার গঠন করে, সেটিই হল রুপান্তরিত শিলা। মার্বেল হল সেরকম রুপান্তরিত শিলা। একইরকম রুপান্তরিত শিলার আরেকটি উদাহরণ হল স্লেট।

গ্রানাইট ও মার্বেলের মধ্যে পার্থক্যঃ

গ্রানাইট

মার্বেল
অপেক্ষাকৃত শক্ত গ্রানাইটের চেয়ে নরম পাথর
আভ্যন্তরীন সূক্ষ্ম ছিদ্র বেশী অভ্যন্তরীন সূক্ষ্ম ছিদ্র কম
তাপে ও চাপে প্রসারিত হয় না তাপ ও চাপে প্রসারিত হয়
নখের আঁচড় পড়ে না, খোঁচালে দাগ পড়ে না নখের আঁচড় পড়ে যায়, সামান্য খোঁচাতে এটির সারফেস নষ্ট হয়ে যায়
টেক্সচার গ্রানাইট দেখতে মার্বেলের মতো চকচকে নয় মার্বেল বেশ চকচকে ও সুন্দর দেখতে
মার্বেলের তুলনায় দাম কম গ্রানাইটের চেয়ে মার্বেলের দাম বেশি
কার্বনিক এসিড দিলে কিছুই হয় না। ভিক্সল ও ট্রিক্সল এবং অন্যান্য ফ্লোর ক্লিনার দিয়ে এটি পরিষ্কার করা যায়। কার্বনিক এসিড দিলে এটি পুড়ে যায়। ভিক্সল ও ট্রিকলসহ বাজারে পাওয়া যায়- এমন সব ফ্লোর ক্লিনার দিয়ে এটি পরিষ্কার করতে গেলেই এতে দাগ পড়ে যায়।
গ্রানাইট হল হাজার বছর ধরে পরিবর্তন হয়ে চলা পাথর। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়ে চলছে। হয়তো এটা চোখে পড়ছে না। তবে সেটি প্রতিনিয়ত ঘটছে। মার্বেল হাজার বছর ধরে তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হওয়া পাথর। এটি পরিবর্তন হবার কোন সম্ভাবনা নেই।

 

গ্রানাইট কখনো ময়লা হয় না। শুধু এর চকচকে ভাব নষ্ট হয়ে যেতে পারে বহুল ব্যবহারের ফলে। এটি মেশিন পলিশ করলে আবার একইরকম হয়ে যায়।

মার্বেলে প্রচুর ময়লা ধরে। এবং এটি পরিষ্কার করার সময় এর আসল চকচকে ভাব নষ্ট হয়ে যায়।

 

গ্রানাইট ও মার্বেল ইনস্টলেশন:

গ্রানাইট দেয়াল বা ফ্লোর- যেকোন সারফেসে লাগানো যায়। এটি লাগানোর পদ্ধতি টাইলসের মতোই। যেখানে লাগানো হবে, সেই জায়গাটি পরিষ্কার করে  নিতে হবে। পরিষ্কার করার আগে মাদার সারফেসকে গ্রানাইট ও মার্বেল লাগানোর উপযুক্ত করে নেয়া আবশ্যক। এরপর যাতে কোন ধুলোবালি না থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হয়। এরপর পানি দিয়ে সেই স্থান ভিজিয়ে নিতে হয়।

গ্রানাইট ও মার্বেল বিভিন্ন পুরুত্বের হয়। যেসব গ্রানাইট বা মার্বেল দেয়ালে লাগানো হয়, সেগুলো মূলত হয় ১০-১৬ মিলিমিটার পুরুত্বের। এগুলোর পেছনে পাতলা মেশ লাগানো থাকে যেন এটি ভেঙ্গে না পড়ে। আকারভেদে এদের রকমও বিভিন্ন হয়। সাধারণত গ্রানাইট বা মার্বেল স্ল্যাব ৪ফিটx৮ফিট হয়। আবার এর বেশিও হয়। তবে কেউ সহজে বড় স্ল্যাব ব্যবহার করে না। কারণ, এগুলো খুব সহজেই ভেঙ্গে যায়। ভারী ও ভঙ্গুর হওয়ায় এগুলো ইন্সটলেশন সবাই করতে পারে না। বেশ সূক্ষ এসব কাজ। সামান্য ভুল হলেই পুরো স্ল্যাব বাদ হয়ে যায়। তখন মাস্টিক দিয়ে সেসব জয়েন্ট ঠিক করতে হয় যা দেখতে খুব একটা ভাল লাগে না।

granite

চিত্র: গ্রানাইট এর জয়েন্ট ও ইনস্টলেশন

এরপরের কাজটি হল গ্রানাইট ও মার্বেল এর পুরুত্ব বিবেচনায় লাগানোর পরে এর লেভেল নির্ধারণ। এক্ষেত্রে বেশ কিছু লেভেলার ব্যবহার করা হয়। টাইলসের মতোই এককালে সুতো দিয়ে গ্রানাইট ও মার্বেল এর লেভেল নির্ধারণ করা হত।  যেহেতু এটি নির্ভুল হয় না, তাই বর্তমানে লেভেলার হিসেবে লেজার লাইটের ব্যবহার বেড়েছে। টাইলসের মতোই মার্বেল বা গ্রানাইট ও সিমেন্ট বা কনমিক্স দিয়ে বসানো হয়। মার্বেল যেহেতু একটু দামী, তাই কোন ভুল হলে কনমিক্স দ্রুত শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে এটি পুরোটাই ভাঙতে হয়। একারণে এটিতে সাধারণত সিমেন্টই ব্যবহৃত হয়।

টাইলের মতো গ্রানাইট বা মার্বেলও নির্দিষ্ট দূরত্বে বসানো হয়। যদি কোন নির্দিষ্ট দূরত্ব স্থপতি নির্দেশ করে থাকেন, তাহলে সেটিকেই স্পেসার হিসেবে রেখে নির্দিষ্ট দূরত্বে বসিয়ে যেতে হয়। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল যে, মার্বেল বা গ্রানাইট কখনোই এক রকম পুরুত্বের হয় না। কারণ, এটি বিশালাকার চাই থেকে হাতে কেটে নামানো হয়। কাটিং মেশিনে ১০ মিলিমিটার দিলেও কোন কোন ক্ষেত্রে এটির পুরুত্ব ১২ মিলিমিটারও হয়ে যেতে পারে। তাই এটি বসানোর সময় সাবধানে বসাতে হয়। এটি যেহেতু পুরুত্ব সমান হয় না, তাই একে বসানোর জন্যে মোটামুটি একই পুরুত্বের মার্বেল বা গ্রানাইটগুলো এক দিকে রাখা হয়। অনেকসময় এটা সমান রাখতে না পারলে পরে গ্রাইন্ডিং ও ক্লিনিং মেশিন দিয়ে সমান করে দেয়া হয়। তবুও কিছুকিছু অসমান স্থান থেকেই যায়। তবে টাইলসের ক্ষেত্রে এটা হবার সম্ভাবনাই নেই। তাই যখনই কোন মার্বেল সারফেস একেবারে সমান হয়েই লেগে যাবে বা অসমান কিছুই থাকবে না, তখনই সেটা সত্যিকারের মার্বেল বা গ্রানাইট কিনা সেটা পরীক্ষার প্রয়োজন! সত্যিকারের মার্বেলে এসব সমস্যা থাকবেই।

granite curving

চিত্র: মার্বেল কার্ভিং

দেয়ালে বসানোর জন্যে শুধু মার্বেল বা গ্রানাইট বসিয়ে দিলেই হয় না, একে লোহার ক্লাম্প দিয়ে আটকাতে হয়।

মার্বেল বা গ্রানাইটের আরেকটি বিষয় হল পলিশিং। মার্বেল ফ্লোর বা গ্রানাইট ফ্লোর কেনার সময়ই জিরো পলিশ করে কেনা উচিৎ। এতে আপনার ফ্লোর হবে ঝকঝকে তকতকে। অনেকেই জিরো পলিশ চেনেনা। এটি চেনার উপায় হল-  ফ্লোর বা দেয়ালে তাকালে নিজের প্রতিচ্ছবি পরিষ্কার দেখা যাবে। সবক’টা আলোক উৎস দেখা যাবে। কিন্তু অনেকেই পলিশ পছন্দ করেন না। এক্ষেত্রে ০’ কে সবচেয়ে বেশি চকচকে দেখানোর মাত্রা হিসাব করে ১, ২ বা ৫ নম্বর পলিশ করে নেয়া যায়। সেক্ষেত্রে এর গ্লসিনেস কম হবে; দেখতে একটু কম চকচকে ও মসৃণ হবে। এভাবে পলিশের হার বাড়ানো বা কমানো যায় মেশিনে পাথরের ব্যবহার বাড়িয়ে বা কমিয়ে। এক্ষেত্রে সঠিক পাথর ব্যবহার বাধ্যতামূলক। নইলে দেখতে সমান হয় না। এবরোথেবরো হয়ে যায় পাথর।

খুঁত:

মার্বেল বা গ্রানাইট কখনোই খুঁত ছাড়া পুরো একটা সারফেসে লাগানো যায় না। এক্ষেত্রে যে ঘটনা বেশি ঘটে, তা হল স্ল্যাব ভেঙ্গে যাওয়া। সামান্য গুঁতো বা হালকা চাপ লাগলে দুটো বস্তুই ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯০%। খুব সাবধানে কাজ করেও এর ভঙ্গুরতা থামানো যায় না।  তাই একে ভাঙ্গা অবস্থাতেই ব্যবহার করা হয়। মার্বেল যদি ভেঙ্গে যায়, সেই ভাঙ্গা স্থানে ফ্যাক্টরিতে থাকা অবস্থাতেই মাস্টিক ব্যবহার করে জোড়া বন্ধ করে দেয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে এসব কাজে সুপারগ্লুও ব্যবহার করে ভাল ফল পাওয়া যায়। এরপর মাস্টিক ব্যবহার করে জোড়া বন্ধ করে দেয়া হয়।

মার্বেল ও গ্রানাইট ইনস্টলেশন হয়ে যাওয়া এবং এর ভেতরকার ইনগ্রেডিয়েন্টস শুকিয়ে সব শক্ত হয়ে যাওয়ার পর এটি পরিষ্কার করা শুরু করতে হয়। মার্বেল ও গ্রানাইটের একটাই পরিষ্কারক ইনগ্রেডিয়েন্টস – সেটি হল পানি। এটি পরিষ্কার করতে গ্র্যান্ডিং মেশিনের সাথে অবশ্যই পানির ব্যবহার করতে হয়। পানির সাথে মেশিনের সংঘর্ষে পাথরের ওপরের এক মিঃলিঃ বা তার বেশি অংশ পরিষ্কার হয়ে ভেতরের নতুন মিরর ফিনিশড সারফেস বের হয়ে আসে।

ফ্লোর বা দেয়াল ছাড়াও মার্বেল অনেক সময় টেবিলে বা রিসিপশনে বসানো হয়। এসব ক্ষেত্রে মার্বেল বা গ্রানাইট আগে থেকে পলিশ করে না নিলে পরবর্তীতে পলিশিং করা বেশ ঝামেলার কাজ হয়ে দাঁড়ায়।

পলিশিং এর বেশ কয়েকটি ধাপ আছে। নিচে সেগুলো একের পর এক উল্লেখ করা হলঃ

১. প্রথমত, লেভেল মেশিন দিয়ে লেভেল চেক করে নিয়ে পলিশিং শুরু করতে হয়। এরপর Lavighetor 650VS বা সমপর্যায়ের মেশিন দিয়ে গ্রাইন্ডিং শুরু করতে হয়।

২. পানি ভালমতো সারফেসে ঢেলে মেশিন দিয়ে পরিষ্কার শুরু করতে হয়। এরপর MSI metalbond Disk দিয়ে লেভেলিং শুরু করতে হয়।

৩. Jumper MK3 নামের ডিস্ক দিয়ে শুরু করতে হয় তৃতীয় ধাপ। প্রতিবার ডিস্ক ভালোমত চালানো শেষ করে সারফেস পরিষ্কার করতে হবে।

৪. এরপরেই মেশিনে ডিস্ক পরিবর্তন করে Jumper MK4 পাথর দিয়ে গ্রাইন্ডিং করা শুরু করা হয়।

৫. এরপর ডায়মন্ড ডিস্ক দিয়ে একের পর এক গ্রাইন্ডিং কাজ চালিয়ে যেতে হয়। প্রতিবার কাজ শেষে দেখতে হয় কাজ আসলেই শেষ হয়েছে কি না।

৬. Polish KP85 পলিশিং ইনগ্রেডিয়েন্টস ও নরম Discolux প্যাড ব্যবহার করে পরিষ্কার শুরু করতে হয়।

৭. সবার শেষে ফ্লোর পরিষ্কার করে Stone Soap এবং White floor cleaner দিয়ে ফ্লোর পরিষ্কার করে আবার ও ফ্লোর লেভেলার দেখে নিশ্চিত হয়ে নিতে হয়।

 

2 Comments

  1. অসাধারণ বর্ণনা


Add a Comment

বাড়ি বানাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি পরিপূর্ণ ওয়েব পোর্টাল- হোম বিল্ডার্স ক্লাব। একটি বাড়ি নির্মাণের পেছনে জড়িয়ে থাকে হাজারও গল্প। তবে বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে পদে পদে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হই আমরা। এর মূল কারণ হচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে বাড়ি তৈরির নিয়ম নীতি সম্পর্কে ধারণার অভাব। সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে হোম বিল্ডার্স ক্লাব। আমাদের রয়েছে একদল দক্ষ বিশেষজ্ঞ প্যানেল। এখানে আপনি একটি বাড়ি তৈরির যাবতীয় তথ্য, পরামর্শ ও সাহায্য পাবেন।

© 2020 Home Builders Club. All Rights Reserved by Fresh Cement