ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করানোর জন্যে যা যা করতে হবে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Home Interrior

মানুষ প্রতিদিন সভ্য থেকে সভ্যতর হচ্ছে। প্রতিদিন আমাদের চারপাশে সভ্যতার দাবি মেটাতে গিয়েই প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে বাড়ি। এসব বাড়ির বেশিরভাগই হলো বসতবাড়ি। কিছু অংশ প্রাতিষ্ঠানিক বাড়ি এবং কিছু নগর ও অঞ্চল নিয়ন্ত্রক বাড়ি। বাড়িঘরের বিভাজন করলে মূলত এই তিন রকম বাড়িই আমরা দেখতে পাই। কিছু বাড়িতে মানুষ থাকে। কিছু বাড়ি থাকে যেগুলোতে সেবা দেয়া হয় বা অফিস থাকে। যেমনঃ হাসপাতাল, থানা, পোষ্ট অফিস বা সরকারী কোন অফিস, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা; এসবই হল প্রাতিষ্ঠানিক বাড়ি। এসব বাড়িতে মানুষ বসবাস করে না, করলেও খুবই অল্প। বাকি থাকে সরকারী বাসভবন যেগুলো আমাকে, আপনাকে, নগর ও অঞ্চল তথা দেশকে নিয়ন্ত্রণ করে। যেমনঃ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রধানবিচারপতির কার্যালয় বা গণভবন ইত্যাদি। মোটকথা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিবেচনায় এই তিন রকম বাড়িই কিন্তু ইট কাঠ পাথর দিয়েই বানানো হয়। সব বাড়ির মূল ভিত্তি একই রকম। একই রকম বেইজ থেকেই দেয়াল উঠে যায়। একই রকম দেয়ালে গেঁথে যায় জানালা। একই রকম সব দরজা। শুধু কোনটা খোলে সব সময়, কোনটা খোলে না। কোনটা আবার সবার জন্যে উন্মুক্ত নয়। কোনটা সবসময় উন্মুক্ত। মোটকথা, সবার গঠন প্রকৃতি একই। শুধু ব্যবহার বিচারে ভিন্ন ভিন্ন।  তাই প্রতিটি বাড়িতে আলো বাতাসের চলাচলের প্রকৃতিও একই। একটাই সূর্য মাথার ওপর ঘুরছে। সেই সূর্যটা সব বাড়িতেই সমান তাপ দিচ্ছে। সব বাড়িতেই একই এলাকার বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু সবখানে কি সঠিক আলো প্রবেশ করছে? সবখানে কি পরিচ্ছন্ন বাতাস প্রবেশ করছে?

ভাবনায় পড়ে যাওয়ার আগে লেখাটি পড়ে ফেলুন। উত্তর পেয়ে যাবেন!

আমরা সবখানে সমান আলো বাতাস পাই না।

কেন পাই না?

আমাদের বর্তমানকালে বাড়ির মালিক বা জমির মালিক বেশিরভাগ সময় ঘর তোলার সময় সেটব্যাক নামে যে বস্তুটির কথা আইনে বলা আছে, সেটি মানতে চান না। বাড়ির মালিক ভাবেন এক ফুট ছাড়া মানেই লক্ষ কোটি টাকা লস। কিন্তু সেই এক ফুট জায়গাতে একটা বারান্দা থাকতে পারতো। একটা জানালা থাকতে পারতো। দুটো বাড়ির মাঝে একটু আলো বাতাস প্রবেশ করতেই পারতো। কিন্তু বাড়ির মালিক আলো চান না। বাতাসও দরকার নেই। দরকার শুধু টাকার! ভাড়া বেশি দেয়া যাবে! এপার্টমেন্ট বেশি দামে বিক্রি করা যাবে! শুধু এই মানসিকতা থেকেই আমরা এক বিচ্ছিরি অপরিচ্ছন্ন ও ক্ষতিকর পরিবেশের মধ্যে বসবাস করছি। বাড়ির শুধু একদিকেই সব বারান্দা দিয়ে যে সব বাড়ি উঠছে, সেগুলোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সেগুলোতে বসবাস করা মানুষগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। তাই বাড়ি বানানোর শুরুতেই ‘ইমারত নির্মাণ বিধিমালায়’ দেয়া যে সেটব্যাক নিয়ম আছে, সেই নিয়ম মেনে নিয়ে বাড়ি করলে বাড়িতে সঠিকভাবে আলো ও বাতাস প্রবেশে কোন বাধা থাকে না। এটুকু বোঝার মতো জ্ঞানবুদ্ধি নিশ্চয়ই আমাদের হয়নি, নাহলে এটা কেন আইন করতে হবে? আইন তো আমাদের ক্ষতির জন্যে করা হয় না! ভালো করার জন্যেই করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কি আমাদের বাসস্থান হতে পারে? তবু কেন আমরা ঘুপচি তৈরি করে বসবাস করব? কেন একটু খোলামেলা পরিবেশে অবস্থান করব না? নতুন বাড়ি তৈরির সময় এটা আমাদের মনে রাখতে হবে।

বাড়ি তৈরির সময় সবসময় খেয়াল রাখতে হবে দক্ষিণ, পূর্ব ও উত্তর দিকের প্রতি। এই তিন দিক থেকে ঠাণ্ডা বাতাস আসে বছরের প্রায় সব সময় ধরেই। বিশেষ করে আমরা দখিনা বারান্দা বলতে যা বুঝাই, তা এই দক্ষিণ দিকের বাতাস। দক্ষিণের বাতাস বেশ ঠাণ্ডা থাকে। আর এই ঠাণ্ডা বাতাসের লোভেই মানুষ দক্ষিণ দিকে শোয়ার ঘর তৈরি করে। শোয়ার ঘর, পড়ার ঘর, বসার ঘর- এই ঘরগুলো পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে হওয়া ভালো। সূর্যের তাপ সবচেয়ে বেশি পড়ে পশ্চিম দিকে। এই পশ্চিম দিকে তাই কম ব্যবহার হয়- এমন ঘরগুলো ডিজাইন করতে হয়। যেমনঃ রান্নাঘর বা সিঁড়ি ঘর সবসময় পশ্চিমে থাকে। এই পশ্চিম দিকে কোন ঘর যদি শোয়ার ঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সেটাতে থাকা আর গরম কড়াই-এ থাকা সমান মনে হবে। কারণ, সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পশ্চিম দিকে তাপ প্রদান করতেই থাকে। তাই স্টোর রুম, রান্না ঘর এসব ঘর পশ্চিমে রাখার নিয়ম।

দক্ষিণ জুড়ে একটা বড় জানলা লাগাতে পারলে সেই জানলা দিয়ে সবসময় দখিনা বাতাস বইবে। বিশেষ করে ঘরের সবচেয়ে অবহেলিত জায়গা হল ডায়নিং রুম। এই ডায়নিং রুমে সাধারণত কোন আলো বাতাসের ব্যবস্থাই থাকে না! তাই এখানে বড় বড় আলোর উৎস হিসেবে বাতি ব্যবহার হয়। এতে ঘরটা আরো বেশি গরম হয়ে ওঠে। এজন্যেই রান্নাঘর ও খাওয়ার ঘরের সাথে বাতাসের ব্যবস্থা রাখা জরুরী। দিনের বেলায় আলো জ্বালিয়ে বিদ্যুৎ নষ্ট করারও কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা আমরা। তাই এখানে যেন দিনের বেলায় কোন আলো জ্বালিয়ে কাজ করতে না হয় সেটার দিকেই নজর দেয়া প্রয়োজন। আলো আমরা অবশ্যই জ্বালাবো। আমি আলো ও বিদ্যুৎবিরোধী কোন পক্ষ নই। কিন্তু সেটা ব্যবহার করতে হবে শুধু প্রয়োজনের সময়। অপ্রয়োজনে কোন কিছুই ব্যবহার করা চলবে না। অন্তত আধুনিক সবুজ স্থাপত্য তাই বলে।

ঘরে আলো প্রবেশের জন্যে প্রথমেই যা দরকার তা হল জানালা। কোনভাবে জানালা বন্ধ রাখা যাবে না। জানালা খোলা রেখে যদি আলো ও বাতাস প্রবেশ না করে, তাহলে পুরো জানালাই খুলে দিতে হবে। চেষ্টা করতে হবে যেন আমরা যতটা পারি স্লাইডিং জানালা ব্যবহার থেকে নিজেদের বিরত রাখতে পারি। একটা জানালা যত বড়, স্লাইডিং জানালা তার অর্ধেক। এটি বাকি অর্ধেক খোলা যায় না। তাই এটি যত কম ব্যবহার করা যাবে, ঘরের ভেতর তত বেশি আলো ও বাতাস প্রবেশ করবে। যদি আমাদের আব্রুঘটিত কোন সমস্যা হয়, তখন আমরা হালকা পর্দা ব্যবহার করতে পারি। তাতে ঘরের ভেতরকার ঘটনা বাইরের কারো চোখে অঘটন তৈরি করবে না!

ঘুলঘুলির ব্যবহার শুরু করতে হবে নতুন করে। আগেকার দিনে ঘরে ঘুলঘুলির ব্যবহার হত। বেশ বৈজ্ঞানিক কারণেই ব্যবহার হত। এটি ব্যবহারে ঘরের গরম বাতাস এটি দিয়ে বাইরে চলে যেতে পারে। তবে এটা এখন দেখা যায় না। তাই এটির ব্যবহার আবার ও ফিরিয়ে আনতে হবে। মডার্ন আর্কিটেকচারের নামে যেসব বাসা-বাড়ি ডিজাইন হচ্ছে, সেগুলোতেও কোথাও এখন ঘুলঘুলির ব্যবহার দেখা যায় না। কিন্তু এটি বেশ উপকারী।

ঘরের ভেতর বাতাস তখনই প্রবেশ করে যখন আমরা এই বাতাস বের হয়ে যাবার রাস্তা রাখি। বাতাস কোন বদ্ধ জায়গা বা ঘরের ভেতর প্রবাহিত হতে পারে না। এটিকে প্রবাহিত করতে হলে দুটো ছিদ্র বা গর্ত রাখতেই হবে। একটি দিয়ে গরম বাতাস বের হবে, আরেকটি দিয়ে ঠাণ্ডা দখিনা হাওয়া প্রবেশ করবে। এতে ঘরের ভেতর থাকা অনেক বেশি আরামদায়ক হবে।

ল্যুভর ব্যবহারঃ

ল্যুভরের মূল ব্যবহার প্রধানত সূর্যের অতি আলোকরশ্মি থেকে ছায়া সৃষ্টি হলেও অনেক স্থপতি একে ডিজাইন অনুষঙ্গ হিসেবেও ব্যবহার করেন। বর্তমান স্থাপত্যশিল্পে দুটো প্রাক্টিস আছে। একটা হল- যে কোন ডিজাইন উপাদান অবশ্যই কোন একটি কার্যকর কারণের জন্যে ব্যবহার করা হবে। আরেকটি হল- কোন কারণ ছাড়াই কোন একটি ডিজাইন উপাদান ব্যবহার করা হবে। তবে প্রথমটিই প্রায় ৯০ ভাগ স্থপতি বেছে নেন। শেষমেশ নিজের পকেটের টাকা তো এখানে খরচ হয় না- তবুও ক্লায়েন্টের খরচ বাঁচানোর কথা ভেবেই স্থপতি এমন কিছু ডিজাইন করেন না যা ব্যবহার হবে শুধু মাত্র সৌন্দর্য্যের জন্যে অথবা কোন কাজেই সেটি লাগবে না। আর এভাবেই ডিজাইন কনসিডারেশন তৈরি হয়। যেমন ল্যুভর বেশি ব্যবহার করা হয় পশ্চিম ও দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অথবা উত্তর-পশ্চিম দিকে। কারণ, সকালের মিষ্টি রোদ কোন ক্ষতি করে না আমাদের। উলটো আমাদের প্রয়োজন এই রোদ। কিন্তু দুপুর হতে হতে সূর্য উত্তরায়নের সময় উত্তর পশ্চিমে এবং দক্ষিণায়নের সময় দক্ষিণ পশ্চিমে হেলে যায়। তখন যে তাপ আমাদের শরীর সহ্য করতে পারে না, সেই তাপ থেকে রক্ষার জন্যে ল্যুভর দিয়ে তাপ আটকানো হয়। কিন্তু আলোক ঠিকই প্রবেশ করে। আর আলোছায়ার উপাদান ল্যুভরের কারণে স্বপ্নময় পরিবেশ তৈরি হয়। যা ঠাণ্ডা ও নয় আবার গরমও নয়।

আমাদের ঘরে যে সূর্যালোক প্রবেশ করে, তাকে আমরা যদি বাধা না দিই, তাহলে সেটি বেশ কিছু তরঙ্গে বিভাজিত হয়ে ঘরের ভেতর থেকে যায় এবং ঘরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে শুরু করে। যতক্ষণ বাইরের তাপের সাথে ঘরের ভেতরের তাপ মাত্রা সমান না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত এই তাপ প্রবাহ চলতে থাকে এবং এক সময় ঘরের ভেতর থাকা প্রতিটি বস্তু গরম হয়ে যায়। আর এখানেই ল্যুভরের কীর্তি শুরু। ঘরের জানালায় যদি ল্যুভর শেড লাগানো থাকে, তাহলে সেই শেড টেনে দিলেই সূর্যালোক সরাসরি ঘরে প্রবেশ বাধাগ্রস্থ হয়। এবং ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা কম থাকে।

সবদিকেই কি এক ধরণের ল্যুভর ব্যবহার করব? না। তা কেন হবে? কারণ সবদিকে তো সূর্যের আলো সমান ভাবে পড়ে না। যখন পূর্বদিকে সূর্য থাকে, তখন তার মত সুবোধ নক্ষত্র আর দেখাই যায় না! কিন্তু যতই সময় গড়ায়, ততই এর তাপ বাড়তে থাকে। এর কোণ কমতে থাকে। সকালের তাপ কম থাকার কারণ সূর্যের সাথে পৃথিবীর কৌণিক অবস্থান। ঠিক একই কারণে রাতের আকাশে উদিত হওয়া চাঁদ বিশালাকার থালার মতো মনে হয়। যত ওপরের দিকে উঠতে থাকে, তত এর আকার কম হচ্ছে বলে মনে হয়। অথচ পুরোটাই পৃথিবীর সাথে চাঁদের কৌণিক দূরত্ব আর বায়ুর প্রতিসারংকের কারণে ঘটে যাওয়া অতি সাধারণ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া মাত্র। একইভাবে সূর্যের তাপও অনেকগুলো বায়ুস্তর ভেদ করে প্রবেশ করতে হয় বলে বেশ কম তাপমাত্রা দেয়। আমাদেরও তাই সকালের আলোটা শরীরে লাগাতে তেমন কোন অসুবিধাই হয় না। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে এটা আমাদের শরীর ও ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর হওয়া শুরু করে। এবং ধীরে ধীরে এটি সহনীয় মাত্রার চাইতে অনেক বেশি হয়ে যায়। আর এর কারণেই তখন আমাদের ছায়ার প্রয়োজন হয়।

ল্যুভর ব্যবহারের সাধারণ নিয়মাবলীঃ

যেকোন ওপেনিং যেখান দিয়ে আলো বাতাস আসবে, তার ওপর বড়সড় ছাউনি ব্যবহার করা উচিত। যেমনঃ বড় বড় ফিনের পারগোলা, জানালার বিশালাকার পাল্লা অথবা লম্বা বারান্দার ব্যবহার। হালকা রঙের শেড ব্যবহার করা উচিত। এগুলো অনেক বেশি তাপ প্রতিফলন করে। ফলে ঘর আরো বেশি গরম হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। তাপ বাইরের দিকে প্রতিফলিত হয়। গাঢ় রঙের শেড তাপ ধরে রাখে এবং ঘরের ভেতর আরো গরম হাওয়া প্রবেশ করায়। ফলত ঘর ঠাণ্ডা হওয়ার চাইতে অনেক বেশি গরম হয়ে যায়।

ঘরের ভেতর অতিরিক্ত তাপ প্রবাহ থামাতে ঘরের ভেতর ও বাইরে গাছ লাগানো যেতে পারে। এতে তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। বিশেষ করে জানালাগুলোর চারপাশে বড় আকারের গাছ থাকলে সেই ঘরে সূর্যের তাপ খুব একটা সহজে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে তাপমাত্রা কম থাকে।

পূর্ব ও পশ্চিমের জন্যে ফিক্সড শেডঃ

যেহেতু পূর্ব ও পশ্চিমের আলোক উৎস মধ্যাহ্নের মতো অতোটা উজ্বল নয়, তাই এই আলো একটা সময় পর্যন্ত সহনীয়। আর এই সহনীয় মাত্রার আলোর জন্যে আমাদের আড়াআড়ি (horizontal) শেড ব্যবহার করতে হবে। তবে এর ব্যবহারে আছে নানান উপায়।

আড়াআড়ি শেড দিলে আমাদের বাইরের দিকটা দেখতে সুবিধা হয়। আলোটাও বেশ ভাল প্রবেশ করে। সাথে বাতাসের গতিও রুদ্ধ হয় না।

কিন্তু তবুও অনেকসময় সূর্যের অবস্থানের কারণে গরম হাওয়া প্রবেশ বা তাপ প্রবেশ করতে পারে এজন্যে যদি একটি কোণাকুণি শেড ব্যবহার করা হয় তাহলে সেটি একইসাথে আমাদের বাইরের দিকটা দেখা বা আলো বাতাস প্রবেশ করতে কোন বাধা হয় না; আবার আমাদের শেড ও ঠিক মতোই দেয়।

এভাবেই ল্যুভরের ব্যবহার করেও জানালা বা ওপেনিং-এর ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে একটি ঘর আলো বাতাসে পরিপূর্ণ রাখা যায় সবসময়।

 

 

No comment yet, add your voice below!


Add a Comment

বাড়ি বানাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি পরিপূর্ণ ওয়েব পোর্টাল- হোম বিল্ডার্স ক্লাব। একটি বাড়ি নির্মাণের পেছনে জড়িয়ে থাকে হাজারও গল্প। তবে বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে পদে পদে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হই আমরা। এর মূল কারণ হচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে বাড়ি তৈরির নিয়ম নীতি সম্পর্কে ধারণার অভাব। সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে হোম বিল্ডার্স ক্লাব। আমাদের রয়েছে একদল দক্ষ বিশেষজ্ঞ প্যানেল। এখানে আপনি একটি বাড়ি তৈরির যাবতীয় তথ্য, পরামর্শ ও সাহায্য পাবেন।

© 2020 Home Builders Club. All Rights Reserved by Fresh Cement