বাড়ি রঙ করা সংক্রান্ত নিয়ম কানুন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
বাড়ি রঙ করা

প্লাস্টারের ওপর সাধারণত রঙ করা হয়। বাড়ির বাইরের দেওয়ালে রঙ করতে চাইলে মাথায় রাখুন আবহাওয়া। বাইরের দেওয়ালে রং করার জন্য গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উপযোগী। ভেতরের দেওয়ালে বছরের যে কোন সময় রঙ করাতে পারেন। চাইলে বর্ষাকালে ও ভেতরের দেওয়ালে রঙ করা যায়। বাড়িতে রঙ করার পদ্ধতি নিম্নে দেওয়া হলো-

  • প্রথমবার রঙ করানোর ক্ষেত্রে সিমেন্টের আস্তরের ৯০ দিন পর সিলার ব্যবহার করুন। সিমেন্টের আস্তরন পুরোপুরি শুকাতে তিন মাস সময় লাগে।
  • দেওয়াল খুব ভাল করে শুকিয়ে গেলে ভেতরের দেওয়ালে সিলার ব্যবহার করুন। এতে দেওয়াল মসৃণ হবে।
  • দেওয়ালে আরো মসৃণতা আনতে পুডিং প্রলেপ দিন। পুডিং ব্যবহার করার আগে পানি দিয়ে দেওয়াল ভিজিয়ে নিন। খরচ কমাতে চাইলে পুডিংয়ের পরিবর্তে তিন কোট রং অর্থাৎ, তিনবার রঙের প্রলেপ দিলেও দেওয়াল মসৃণ হবে।
  • দেওয়ালে রঙ করার আগে পাথর দিয়ে দেওয়াল ভালভাবে ঘষে নিতে হবে।
  • প্রাইমারি কোট শুকানোর পর সেকেন্ডারি কোট ব্যবহার করুন এবং সেকেন্ডারি কোট ভালভাবে শুকালে তারপর টারশিয়ারি বা ফাইনাল কোট রঙ দেওয়া উচিত।
  • পুরানো বাড়ির ক্ষেত্রে বাইরের দেওয়াল তিন বছর পর পর রঙ করা উচিত। ভেতরের দেওয়ালের রঙ সাধারণত পাঁচ বছর পর্যন্ত উজ্জ্বল থাকে।
  • পুরানো বাড়ির বাইরের দেওয়ালে রঙ করার আগে ছত্রাকগুলোকে চেঁছে তুলে ফেলতে হবে, তারপর দেওয়ালে অ্যান্টি-ফাঙ্গাশ সলিউশন ব্যবহার করুন। এতে দেওয়ালের রঙ দীর্ঘস্থায়ী হবে।
  • বাড়ির ভেতরের দেওয়ালের জন্য সাধারণত ডিসটেম্পার ও প্লাষ্টিক পেইন্ট এই দুই ধরণের রঙ ব্যবহার হয়।
  • বাইরের দেওয়ালে আবহাওয়ার প্রভাব থাকে, তাই এখানে ব্যবহার করুন অ্যাক্রেলিক ইমালশন।
বাড়ির ভেতরে রঙ করা

ডিসটেম্পারঃ ইট, কংক্রিট ও প্লাস্টারের ওপর ডিসটেম্পার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের ডিসটেম্পার, যেমন- অ্যাক্রেলিক, সিনথেটিক, ড্রাই ইত্যাদি। অ্যাক্রেলিক ডিসটেম্পার পানি দিয়ে ধোঁয়া যায়। কিন্তু সিনথেটিক ও ড্রাই ডিসটেম্পার পানি দিয়ে ধোঁয়া যায় না।

প্লাস্টিক পেইন্টঃ প্লাস্টিক ইমালশন নামেই বেশি পরিচিত। পানি ভিত্তিক রঙ, যা দীর্ঘস্থায়ী ও ধোঁয়া যায়। প্লাস্টিক পেইন্ট তিন ধরণের- রেগুলার, ইকোনমিক ও প্রিমিয়াম ইমালশন।

বাড়ির বাইরের দিকে

বাড়ির বাইরের দিকে আবহাওয়ার প্রভাব থাকে। তাই বাড়ির ভেতরের থেকে বাইরের রঙ ভিন্ন হয়।

সিমেন্ট পেইন্টঃ পানি বেজড রঙ।

অ্যাক্রেলিক ইমালশনঃ বেশি ব্যবহৃত রঙ এবং দীর্ঘস্থায়ী ও ধোঁয়া যায়।

টেক্সার প্লাস্টারঃ এটা ইমালশন ভিত্তিক রঙ। এতে পানির বদলে ইমালশন ব্যবহার করা হয়।

8 Comments

  1. এখানে সিমেন্টের আস্তরণ বলতে কি বুঝাচ্ছেন? প্লাস্টার না প্লাস্টার এর পর হোয়াইট সিমেন্টের আস্তরণ?

  2. প্লাস্টারের কতদিন পর হোয়াইট সিমেন্ট-এর আস্তরন দিতে হয়? জানাবেন প্লিজ…

    • Home Builders Club

      এটার নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা নেই।তবে নির্ধারিত কিউরিং সময়ের পর দেওয়াল পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত রঙ এর কাজ শুরু করা যাবে না।

  3. হোয়াইট সিমেন্ট দিয়ে কিভাবে প্লাস্টার করা হয়

    • Home Builders Club

      হোয়াইট সিমেন্ট দিয়ে সাধারণত প্লাস্টার করা হয় না। ঢালাইয়ের পয়েন্টিং এর কাজ হোয়াইট সিমেন্ট দিয়ে করা হয়।

  4. Acrelic distemper per liter price approx. Acrelic emulsion per gallon how much

    • Home Builders Club

      সবচেয়ে উত্তম যদি এ ব্যাপারে আপনি কোন পেইন্ট কোম্পানির প্রতিনিধির সাথে কথা বলেন।


Add a Comment

বাড়ি বানাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি পরিপূর্ণ ওয়েব পোর্টাল- হোম বিল্ডার্স ক্লাব। একটি বাড়ি নির্মাণের পেছনে জড়িয়ে থাকে হাজারও গল্প। তবে বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে পদে পদে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হই আমরা। এর মূল কারণ হচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে বাড়ি তৈরির নিয়ম নীতি সম্পর্কে ধারণার অভাব। সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে হোম বিল্ডার্স ক্লাব। আমাদের রয়েছে একদল দক্ষ বিশেষজ্ঞ প্যানেল। এখানে আপনি একটি বাড়ি তৈরির যাবতীয় তথ্য, পরামর্শ ও সাহায্য পাবেন।

© 2020 Home Builders Club. All Rights Reserved by Fresh Cement